If You Want To Appointmen
Appoint Now Call Now +8801611190607

স্ট্রোক / STROKE

স্ট্রোক একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা। এটি দ্রুত এবং চটপট শরীরে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। রোগীর পঙ্গুত্ব, বর্ধনের প্যাসাপাশি বা মৃত্যু পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

অত্যাধিক তাজকশীল চিকিৎসা হলে রোগীর জীবন রক্ষা করা যায়। স্ট্রোক যখন ঘটে, তখন তাৎক্ষণিকভাবে একজন যোগ্য চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা এবং প্রাথমিক ও জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

স্ট্রোক মূলত মানুষের মস্তিষ্কের অতিরিক্ত হানির ফলে হয়। ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্য সংস্থা অনুযায়ী, মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত সঞ্চালনের ব্যাঘাত ঘটলে মস্তিষ্কের কোনো মেরুদণ্ডে গিয়ে রক্ত সরবরাহ না হলে স্ট্রোক ঘটে।

সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য দ্রুত এবং সঠিক ফেলার ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

স্ট্রোকের সময় যখন সুষম চিকিৎসা হয় এবং রোগীর সঙ্গে রক্ত সরবরাহ ঠিক থাকে, তখন মস্তিষ্কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পুনরুদ্ধার হতে পারে।

মেল্ড স্ট্রোক, এমন একটি স্ট্রোক যা হেমোরেজিক স্ট্রোকের মতোই।

মেল্ড স্ট্রোকের মধ্যে রক্ত সরবরাহ পুনরায় স্থাপন হলে দ্রুত রোগীর জীবন রক্ষা করা সম্ভব।

এখন যখন সঠিক চিকিৎসা এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তখন রোগীর পুনরুদ্ধার সম্ভব এবং স্থায়ী ক্ষতি কমে আসে।


রোগী।

ছবির উৎস,GETTY IMAGES

ছবির ক্যাপশান,

চিকিৎসকেরা বলছেন, বাংলা দেশেই গঠিত/গঠিত অনেক বড় দেশের মধ্যে একজনকে স্ট্রোকের আক্রমণ ঘটে।

লক্ষণ দেখলে দ্রুত ব্যবস্থাপনা, স্ট্রোকের লক্ষণ একেকজনের ক্ষেত্রে একেককম হয়। একজনকে স্ট্রোক হয়ে থাকার ক্ষেত্রে কি দ্রুত পর সাবধানিক হয়, তা আর কখনও হয় না।

ডাকা মেডিকেলের কলেজে হাসপাতালে নিরূসায়ণের বিষয়গুলো সহযে গম্ভীর ইতালামের প্রারমর্শ, কারো মধ্যেই স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দেয়, দেয়য়ার সময়ে সাতেসাথে বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ত নয়।

স্ট্রোকের সাদারণ কি লক্ষ্য হলে:

  • অচমকা হাত, পা বা শরীরের কোনো এক অংশে দিক অদ্ভুত হয়ে যাওয়ায়

  • কথা বলতে অসুবিধা হওয়া বা কথা বলার সমস্যা

  • চোখে গিলতে কঠিন হওয়া

  • দাঁড়াতে বা হাঁটতে সমস্যা হওয়া

  • শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা, নিযন্ত্রিত হারিয়ে পড়া/জ্ঞান হারানো

এগুলো দ্রুত লক্ষ্য করলে দ্রুত রোগীর চিকিৎসা সম্ভব।

মানসিক চাপ স্ট্রোকের অন্যতম বড় কারণ।

ছবির উৎস,GETTY IMAGES

ছবির ক্যাপশান,

মানসিক চাপ স্ট্রোকের অন্যতম বড় কারণ।

প্রথম à¦¤à¦¿à¦¨ ঘণ্টা খুব জরুরি

স্ট্রোক লক্ষণ দেখা দেয়ার পর থেকে তিন থেকে সাড়ে চার ঘণ্টা সময় খুবই ক্রিটিকাল।

এই সময়ের মধ্যে বা তার আগে রোগীকে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হলে মৃত্যু-ঝুঁকি অনেকটাই ঠেকানো সম্ভব।

তবে এই সময়কাল একেকজন রোগীর স্বাস্থ্য পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। অনেকের তিন ঘণ্টায় যে ক্ষতি হয়, সেটা হয়তো আরেকজনের ক্ষেত্রে আরও পরে গিয়ে হতে পারে।

সাধারণত স্ট্রোকের রোগী সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যে আসলে চিকিৎসকরা আই ভি থ্রম্বোলাইসিস চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। চিকিৎসকরা ইনজেকশনের মাধ্যমে এমন একটা ওষুধ দেন যা রক্তনালীর ব্লক ছুটিয়ে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক করে। ওষুধ দেয়ার এই পদ্ধতিকে বলা হয় থ্রোম্বোলাইসিস।

রোগীকে যদি লক্ষণ দেখা দেয়ার ৮ থেকে ১৬ ঘণ্টার মধ্যে আনা হয় তাহলে চিকিৎসকরা সাধারণত মেকানিক্যাল থ্রম্বেকটমি চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।

এই প্রক্রিয়ায় একটি বিশেষ যন্ত্র বা ক্যাথেটার দিয়ে রোগীর রক্তনালীতে জমাট বাঁধা রক্ত অপসারণ করে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।।

এ ধরণের চিকিৎসা শেষে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন।

তবে রক্তপাত মারাত্মক হলে মাথার হাড় কেটে মস্তিষ্কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশটিকে চাপমুক্ত রাখা হয়। যেন মস্তিষ্কের সুস্থ অংশ আক্রান্ত হতে না পারে একে বলা হয় ডিকম্প্রেস ক্র্যানিয়্যাকটমি।

হাসপাতালে নেয়ার পর পর চিকিৎসকরা লক্ষণ বুঝে রোগীর মাথার , সিটি-স্ক্যান সেইসঙ্গে ব্লাড সুগার টেস্ট, ইসিজি টেস্ট দিয়ে থাকেন। পরবর্তীতে রোগীর অবস্থা বুঝে এমআরআই ও সিটি এনজিওগ্রাম করার পরামর্শ দেয়া হয়।

এসব টেস্টের ফল দেখেই চিকিৎসকরা তাদের সিদ্ধান্ত নিয় থাকেন।

সাধারণত মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটলে স্ট্রোক হয়
ছবির ক্যাপশান,

সাধারণত মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটলে স্ট্রোক হয়

স্ট্রোকের প্রধান কারণ ও করণীয়

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বব্যাপী যত অসংক্রামক ব্যাধি আছে, সেগুলোর মধ্যে মৃত্যুর দিক থেকে হৃদরোগের পরেই স্ট্রোকের অবস্থান।

এছাড়া পঙ্গুত্বের অন্যতম বড় কারণ স্ট্রোক। দিন দিন এতে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।

উন্নত বিশ্বের তুলনায় নিম্ন আয়ের দেশে স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি বলে মত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।

সম্প্রতি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ধরা হয়, তাহলে প্রতি এক হাজার মানুষের মধ্যে ১১ জনই স্ট্রোকে আক্রান্ত হন।

এবং এতে আক্রান্ত হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ উচ্চ রক্তচাপ। তবে আরও কয়েকটি কারণে স্ট্রোক হতে পারে, সেগুলো হল:

  • রক্তে কোলেস্টোরেলের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হলে।
  • উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় থাকলে। হৃদরোগ থাকলে।
  • মানসিক চাপ, অতিরিক্ত টেনশন, অবসাদের মতো মানসিক সমস্যা থাকলে।
  • সারাদিন শুয়ে বসে থাকলে, কায়িক পরিশ্রম না করলে, ওজন অস্বাভাবিক বেড়ে গেলে।
  • অস্বাস্থ্যকর অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস। বিশেষত অতিরিক্ত তেল ও চিনিযুক্ত, ভাজাপোড়া খাবার ও পানীয় খেলে।
  • ধূমপান, তামাক-জর্দা বা অন্যান্য মাদক সেবন, মদপান।

নিয়মিত স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে উঠলে স্ট্রোকের ঝুঁকি পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। এক্ষেত্রে চিকিৎসকরা কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন:

  • উচ্চ রক্তচাপ, ডায়বেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা।
  • অতিরিক্ত তেলচর্বি ও চিনি-লবনযুক্ত খাবার, ভাজাপোড়া, ফাস্টফুড এড়িয়ে পুষ্টিকর ডায়েট মেনে চলা।
  • ধূমপান, জর্দা-তামাক, মাদক সেবন, মদপান এড়িয়ে চলা।
  • প্রতিদিন ৬-à§® ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম।
  • শরীরচর্চা বা নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম করা। ওজন ঠিক রাখা।
  • প্রতি ছয়মাস অন্তর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা।